বাংলাদেশে স্মার্ট কার পার্কিং সল্যুশন

আমাদের শহরে অত্যধিক জ্যামে সময় নষ্ট হওয়া নিত্যদিনের ব্যাপার। এর মধ্যে পার্কিং এ গাড়ি রাখা- বের করা, পার্কিং এর জন্য স্লট ফাঁকা আছে কিনা তা জানতে গাড়ি রেখে স্লট খোঁজা ইত্যাদি নানা কারণে সময় নষ্ট হয়। এসব বিষয় মাথায় রেখেই পাই ল্যাবস বাংলাদেশ নিয়ে এসেছে কার পার্কিং অটোমাইজেশন। পাই ল্যাবসের এই পার্কিং অটোমাইজেশন হল এমন একটি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি যাতে কার্ড পাঞ্চ সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে অটোমোটেড ব্যারিয়ার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে,  পার্কিং নিতে আসা যেকোন গাড়ি সহজে জানতে পারবে ভিতরে কোন পার্কিং স্লট খালি আছে কিনা থাকলে কোন স্লট ফাঁকা আছে, অনওয়ে পার্কিং ব্যবস্থায় একই সাথে দুদিক থেকে গাড়ি আসা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, Unauthorized পার্কিং নিয়ন্ত্রণ করা সহ পার্কিং সিকিউরিটি, পার্কিং লগ, পার্কিং বিল সহজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এছাড়াও পার্কিং সংশ্লিষ্ট তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা যাবে।

 

ফিচারঃ

১। পার্কিং স্লট ম্যানেজমেন্টঃ সাধারণত কোন গাড়ি বাইরে থেকে পার্কিং করতে আসলে আমরা জানিনা যে ভিতরে পার্কিং এর জন্য আদৌ কোন স্লট ফাঁকা আছে কিনা। এজন্য আমাদের হয় গাড়ি থেকে বের হতে হয় কিংবা গাড়ি ভিতরে নিয়ে খালি স্লট না পাওয়ায় জটলা বাঁধাতে হয়। পাই ল্যাবস কার পার্কিং অটোমাইজেশন সিস্টেমে বাইরে থাকা ডিসপ্লে থেকেই জানা যাবে ঠিক কয়টা স্লট ফাঁকা আছে। এতে করে সময় অপচয় হবেনা – বাঁধবে না কোন জটলা।

২। অন ওয়ে ম্যানেজমেন্টঃ আমাদের দেশের অধিকাংশ পার্কিং One Way. ফলে বাইরে থেকে হঠাত কোন গাড়ি ইন করার সাথে সাথে ভিতর থেকে একই সাথে গাড়ি বের হলে জটলা লেগে যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে গার্ডদের হুইসেল দিয়ে এ সমস্যা সমাধানের চেস্টা করলেও তাতে তৈরি হয় আরেক সমস্যা। ধরা যাক বাহির থেকে কোন গাড়ি পার্কিং নিতে ঢুকছে। ঠিক এই সময়েই একই সাথে ভিতর দিক থেকে বাহিরের দিকে গাড়ি বের হতে লাগলো। দুই পাশের গার্ডরা তখন একই সাথে হুইসেল বাজানো শুরু করল। ব্যস শুরু হল কনফিউশনের জটলা।   এই সমস্যা সমাধানে পাই ল্যাবস কার পার্কিং অটোমাইজেশন এ রয়েছে ওয়ে বরাবর স্বয়ংক্রিয় সেন্সর নিয়ন্ত্রিত সিগন্যাল সিস্টেম যার মাধ্যমে বাহিরে থেকে ঢুকতে যাওয়া জানতে পারবেন ভিতর থেকে গাড়ি বের হচ্ছে। তেমনি বাইরে থেকে গাড়ি ঢুকলে ভিতরের গাড়ি জানতে পারবে গাড়ি ইন করছে। ফলে জটলা তৈরি হবেনা।

৩। স্লট অটোমাইজেশনঃ যখনি কোন গাড়ি সফলভাবে স্লট থেকে বের হয়ে পার্কিং থেকে বের হয়ে যাবে তখনি ডিসপ্লেতে এই স্লট ফাঁকা দেখা যাবে। একইভাবে কোন স্লট এ গাড়ি পার্কিং হলে সাথে সাথে তা এঙ্গেজ দেখাবে। এতে কোন ম্যানুয়াল ইনপুট দিতে হবেনা। ফলে সময় শ্রম দুটোই বাঁচবে।

৪। অটোমোটেড ব্যারিয়ার নিয়ন্ত্রিত পার্কিং সিকিউরিটিঃ পার্কিং থেকে গাড়ি চুরি যাওয়া আমাদের দেশের পরিচিত ঘটনা। তাই পার্কিং এ ঢুকতে   আমাদের কার পার্কিং অটোমাইজেশন এ রয়েছে লগিন কার্ডের ব্যবস্থা। এই লগিন কার্ড পাঞ্চ করা মাত্র ব্যারিয়ার উঠে যাবে। তবে ভিতরে স্লট ফাঁকা না থাকলে কিংবা গাড়ি বের হলে পাঞ্চ করলেও ব্যারিয়ার উঠবে না। এই কার্ড ব্যবহার করে শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড/কার্ডধারি ব্যাক্তি গাড়ি পার্কিং এ ইন বা আউট করতে পারবেন।এছাড়া গেস্টদের জন্য আলাদা কার্ড লগিন করার ব্যবস্থা রাখা যাবে। ফলে চুরির সম্ভাবনা থাকবে না।

৫। পার্কিং লগঃ কার্ড ব্যবহারকারী কে কতক্ষণ পার্কিং স্লট ব্যবহার করেছেন সে সব তথ্য চাইলে পাওয়া যাবে এই  কার পার্কিং অটোমাইজেশনএ।

৬। পার্কিং বিল ম্যানেজমেন্টঃ পার্কিং এ ফি এপ্লাই করলে কোন কার্ডধারী কতক্ষণ পার্কিং করেছেন এবং তাতে কত বিল/ফি হয়েছে সেসবের তথ্য চাইলে পাওয়া যাবে আমাদের কার পার্কিং অটোমাইজেশনএ।

৭। ভি আই পি/ অতিথি/ অফিসিয়াল কার ম্যানেজমেন্টঃ চাইলে পার্কিং স্লটগুলোকে আলাদা ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যাবে। এর ফলে কোন স্লটে বাড়তি সুযোগ সুবিধাসহ, লগ রাখা, আলাদা  সিকিউরিটি লেয়ার এপ্লাই করা সহজ হবে ।

৮। ডিসপ্লে অপটিমাইজেশনঃ ডিসপ্লেতে পার্কিং রিলেটেড ইস্যু ছাড়াও টাইম, ডেট সহ সংশ্লিষ্ট স্থানের রিয়াল তাপমাত্রা জানা যাবে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের কোন বিজ্ঞাপন বা তথ্য স্ক্রল করে দেখানো যাবে।

৯। অন্যান্যঃ সাধারণত একটি পার্কিং এ গার্ডসহ ১০-১৫ জনের একটি এক্টিভ টিমের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই পার্কিং অটোমাইজেশনে শুধুমাত্র একজন পর্যবেক্ষকই যথেষ্ট। ফলে সর্বোপরি শ্রম ও অর্থ দুটোর অপচয় কম হবে।

ইতোমধ্যে Mutual Trust Bank ( MTB ), Suvastu Development সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পার্কিংগুলোতে  এসব সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। চাইলে এসব সুবিধা ছাড়াও আরো যেকোন কাস্টোমাইজড সুবিধা যোগ করা যাবে। পাই ল্যাবস যে কোন ধরণের টেকনিক্যাল সমস্যা ও কাস্টোমাইজড সল্যুশন  প্রদানে সদা আগ্রহী।